বৃহঃস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯শে ভাদ্র ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

খামেনিকে ‘নুরেমবার্গের মতো বিচার’ করবেন রেজা পাহলভি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:৩৮

জার্মানির নুরেমবার্গে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের যেভাবে বিচার করা হয়েছিল ঠিক তেমন ভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকেও বিচারের মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত প্রিন্স রেজা পাহলভি। খবর জেরুজালেম পোস্টের

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে রক্ত ঝড়িয়েছেন খামেনি। একটি খোলা চিঠিতে পাহলভি খামেনিকে ‘ইরানবিরোধী অপরাধী’ বলে অভিহিত করেছেন।

পাহলভি বলেন, ‘তার হাতে হাজার হাজার ইরানির রক্ত।’ গণমাধ্যমগুলোর মতে, বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪,০২৯ জন নিহত হয়েছেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ আরবি ভাষায় পোস্ট করা ওই চিঠিতে পাহলভি লেখেন, আপনি, আপনার শাসনব্যবস্থা এবং আপনার সব ভাড়াটে বাহিনী প্রতিটি ফোঁটা রক্তপাতের জন্য জবাবদিহি করবেন—কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া। আমরা ক্ষমা করি না, ভুলে যাই না, পিছু হটি না। যেমনভাবে নাৎসি অপরাধীরা নুরেমবার্গে বিচার ও শাস্তি পেয়েছিল, তেমনি আপনাদেরও ইরানি জাতির আদালতে বিচার হবে।

রেজা পাহলভির পিতা শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন। চিঠিতে নির্বাসিত এই রাজপুত্র ইরানের জনগণকে নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে এবং ঐক্য ও সাহস বজায় রাখার আহ্বান জানান। ইরানিদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমার সাহসী সন্তানরা, শোকাহত কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ভাই-বোনেরা—তোমরা একা নও। তোমাদের দৃঢ়তা ইতিহাস বদলে দিয়েছে। তোমরাই স্বাধীনতার অগ্রভাগে দাঁড়িয়ে আছো। এই শাসনের পতন শুরু হয়ে গেছে; তাদের শক্তি ক্ষয়ে গেছে।

চিঠির শেষাংশে পাহলভি বলেন, চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত এই সংগ্রাম কেবল জাতীয় দায়িত্ব নয়। এটি স্বাধীনতার পথে শহীদদের রক্তের সঙ্গে করা অঙ্গীকার। সেই দিন খুব দূরে নয়, যেদিন আমরা একসঙ্গে ইরান পুনরুদ্ধারের উৎসব উদযাপন করব।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর